গত বৃহস্পতিবার ভোট দিতে গিয়ে পুলিশের শটগান থেকে মিস ফায়ারিংয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন দিনমজুর আব্দুল মোতালেব কাজী। পাঁচদিন ধরে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাসপাতালে যান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। সেই সঙ্গে আহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যমাসগ্রী তুলে দেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন খান এবং হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
গুলিবিদ্ধ মোতালেব কাজী সদর উপজেলার কাওয়াখোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন কাওয়াখোলা ইউনিয়নের মুজিবকেল্লা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সময় পুলিশের মিসফায়ারে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোতালেব কাজী ভোট দিয়ে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীর শটগানের গুলি এসে মোতালেবের দুই পা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের দিন দায়িত্বরত কনস্টেবল ওয়াহাবের শটগান থেকে মিস ফায়ারিং হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোতালেব কাজী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. নাজরান রউফ বলেন, ওই ঘটনায় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শিমুল তালুকদার বলেন, মোতালেবের দুই পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন তিনি।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দরিদ্র দিনমজুর তালেব কাজীকে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। তার বাড়িটা জড়াজীর্ণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) টিন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাসপাতালে যান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। সেই সঙ্গে আহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যমাসগ্রী তুলে দেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন খান এবং হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
গুলিবিদ্ধ মোতালেব কাজী সদর উপজেলার কাওয়াখোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন কাওয়াখোলা ইউনিয়নের মুজিবকেল্লা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সময় পুলিশের মিসফায়ারে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোতালেব কাজী ভোট দিয়ে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীর শটগানের গুলি এসে মোতালেবের দুই পা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের দিন দায়িত্বরত কনস্টেবল ওয়াহাবের শটগান থেকে মিস ফায়ারিং হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোতালেব কাজী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. নাজরান রউফ বলেন, ওই ঘটনায় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শিমুল তালুকদার বলেন, মোতালেবের দুই পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন তিনি।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দরিদ্র দিনমজুর তালেব কাজীকে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। তার বাড়িটা জড়াজীর্ণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) টিন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক